১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট ফি বাংলাদেশ

১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট ফি বাংলাদেশ
 ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট ফি বাংলাদেশ

 

পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে ২০২৪

আসসালামু আলাইকুম, বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন। আশা করি সবাই ভালো আছেন। আবারও আপনাদের সামনে হাজির হলাম নতুন কিছু বিষয় নিয়ে। আজকে আমি আলোচনা করতে যাচ্ছি কিভাবে ঘরে বসেই ই-পাসপোর্ট করবেন।এই পাসপোর্টের জন্য আপনাকে আর কোন দালাল ধরতে হবে না। কিংবা পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে আর ঘোরাঘুরি করতে হবে না।

এখন থেকে ঘরে বসেই অনলাইনে পাসপোর্ট তৈরি করতে পারবেন। কোনরকম থার্ড পার্টির সাহায্য নিতে হবে না। আপনি নিজে নিজেই ঘরে বসে আপনার মোবাইল ফোনটি দিয়ে পাসপোর্ট পেয়ে যাবেন। কাজটা খুবই সহজ এই কাজটি করার জন্য আপনার সর্বোচ্চ পাঁচ মিনিট সময় লাগবে। চলুন আপনাকে স্টেপ বাই স্টেপ বলে দিচ্ছি যে কিভাবে কি করবেন।(পাসপোর্ট) কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করা যাক। শুরুতেই বলে দিচ্ছি আলোচনাটা কিন্তু একটু বড় হবে। যারা পাসপোর্ট করবেন তারা ধৈর্য ধরে সম্পূর্ণটা পড়বেন।

পাসপোর্ট বানানোর জন্য আবেদন করব?

শুরুতেই আপনার ফোনের ক্রোম ব্রাউজারে চলে যাবেন। যাওয়ার পরে লিখবেন e passport লিখে সার্চবারে ক্লিক করবেন। এরপরে একটু নিচের দিকে যাবেন । যাওয়ার পরে দেখবেন একটি ওয়েবসাইট আছে যেটা নাম হল( www.e-passports. gove.bd)। এই ওয়েবসাইটের উপর ক্লিক করবেন। এরপরে দেখবেন যে ই পাসপোর্ট এর ওয়েবসাইটের পেইজে নিয়ে গেছে। তারপর শুরুতেই দেখবেন ( directly to online application) লেখা আছে ঐখানে ক্লিক করবেন।

এরপর দেখবেন একটা প্রশ্ন আছে। are you applying from Bangladesh? এই প্রশ্নের নিজে দেখবেন yes or no লেখা আছে। আপনারা yes দিয়ে দিবেন। তার নিচে লেখা আছে যে আপনার জেলার নাম।। আপনার জেলার নামটি দিয়ে দিবেন। তার নিচে হচ্ছে আপনার থানার নামটি দিয়ে দিবেন। এরপর নিচে continue বাটনে ক্লিক করে দিবেন।

এরপর দেখবেন আপনার ইমেল অ্যাড্রেস চাই। তো সেখানে আপনার ইমেইল এড্রেসটি দিয়ে দিবেন। তার নিচে একটা ছোট্ট বক্স আছে ওই বক্সে টিক দিয়ে দিবেন। টিক দেওয়ার পর আবার দেখবেন কন্টিনিউ বাটন আছে ওই কন্টিনিউ বাটনে ক্লিক করে দিবেন। এরপর আপনার ফোন নাম্বার চাইবে। আপনার ফোন নাম্বারটি দিয়ে দিবেন যেটা আপনার ফোনে আছে। এরপর আবারো নিচে দেখবেন একটা ছোট্ট বক্স আছে খালি ঘর ওইখানে টিক দিবেন।

টিক দেয়ার পর দেখবেন নিচে লেখা আছে create account। এখানে ক্লিক দিবেন। এরপর আপনার কিছু পার্সোনাল তথ্য চাইবে। সেগুলো সঠিকভাবে দিয়ে দিবেন। যেমন প্রথমে আপনার একটা পাসওয়ার্ড দিয়ে দিবেন। স্ট্রং পাসওয়ার্ড দিবেন। এরপর নিচে আপনার পুরো নাম লিখতে হবে । নামটা যেন আপনার এনআইডি কার্ডের নাম এর সঙ্গে মিলে যায়।(পাসপোর্ট)এরপর নিচে আপনার First name and last name a দিয়ে দিবেন। এরপর আবারো দেখবেন যে নিচে খালি ঘর রয়েছে খালি ঘরে টিক দিয়ে দিবেন। টিক দেওয়ার পর ক্রিয়েট একাউন্টে ক্লিক করে দিবেন।

এরপর আপনার ইমেইলে একটা মেসেজ যাবে। আপনি ইমেইলে ঢুকে সেই মেসেজের উপর ক্লিক করে আপনার একাউন্টটি ভেরিফিকেশন করে নিবেন।(পাসপোর্ট) তো ভেরিফিকেশন করার জন্য আপনি আপনার ইমেইলে চলে যাবেন ইমেইলে যাওয়ার পর আপনার ইমেইল বক্সে যে মেসেজটা এসেছে সেখানে ক্লিক করবেন। তারপর সেই মেসেজের ওখানে দেখবেন হেয়ার (Here)লেখা।এই হিয়ারে ক্লিক করে দিবেন। তাহলে আপনার অ্যাকাউন্টটি ভেরিফিকেশন হয়ে যাবে।

ভেরিফিকেশন করার পর সঙ্গে সঙ্গে আপনাকে সেই পেজে আবার নিয়ে যাবে। এরপর নিচে লেখা আছে দেখবেন Sing in। এই সাইন ইন এ ক্লিক করবেন। (পাসপোর্ট)আপনি যেই ইমেইল এবং যে পাসওয়ার্ডটা দিয়েছিলেন সেই ইমেইল পাসওয়ার্ড দিয়ে আপনার একাউন্টটি লগইন করে নিবেন। লগইন করার পর দেখবেন লেখা আছে apply from a new passport.। এখন কিন্তু আপনি পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করতে পারবেন। তো আবেদন করার জন্য ওইখানে ক্লিক করে দিবেন। এরপর আপনার অনেক তথ্য চাইবে। সেই তথ্যগুলো সঠিকভাবে দিয়ে দিতে হবে। তো আমি আপনাকে সবগুলো বলে দিচ্ছি।

পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে ২০২৪

একটি পাসপোর্ট বানাতে সর্বনিম্ন ৪০২৫ টাকা খরচ হয়। আর পাসপোর্ট তৈরি করতে সর্বোচ্চ ১৩ হাজার টাকা খরচ হয়। আপনি পাসওয়ার্ডটা ৪৮ পৃষ্ঠা আর ৬৪ পৃষ্ঠার তৈরি করতে পারবেন। আপনারা পাসপোর্ট 5 থেকে 10 বছরের জন্য তৈরি করতে পারবেন।(পাসপোর্ট) এর পরবর্তী সময়ে আপনাদের পাসপোর্টে রিভিউ করে নিতে হবে। আর আপনার যদি অতিরিক্ত জরুরী হয় তাহলে সেক্ষেত্রে আলাদাভাবে টাকা প্রদান করতে হবে।

কিভাবে পাসপোর্ট তৈরি করবেন?

1.তো apply from a new passport এ ক্লিক করার পর প্রথম যে অপশনটি আছে সে অপশনে ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পর নিচে দেখবেন লেখা আছে ordinary passport and official passport। তো আপনারা ordinary passport এ ক্লিক করবেন।

2.এর পরের অপশনটি হচ্ছে আপনার পার্সোনাল ডিটেলস। ওইখানে ক্লিক করলে আপনার পার্সোনাল কিছু ডিটেলস চাইবে সেগুলো দিয়ে দিবেন। (পাসপোর্ট)আপনার সম্পূর্ণ তথ্য দেওয়ার পর নিচের সেভ লেখা আছে সেভ কন্টিনিউ এ ক্লিক করবেন।

3.পার্সোনাল ডিটেলস এরপর এড্রেস অর্থাৎ ঠিকানা লিখা আছে ওখানে একটা ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পর আপনার সকল ঠিকানা সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে দিবেন। ঠিকানা দিয়ে দেওয়ার পর সেভ এন্ড কন্টিনিউ এ ক্লিক করবেন।

4. এরপর আপনার ID documents চাইবে। তো আইডি ডকুমেন্টস এ ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পর আপনার যদি আগে কোন পাসপোর্ট করা থাকে তাহলে yes এ ক্লিক করবেন। যদি করা না থাকে তাহলে no তে ক্লিক করবেন। এর একটু নিচে আপনার এনআইডি গার্ডের নাম্বার চাইবে, নাম্বারটি দিয়ে দিবেন। দিয়ে দেওয়ার পর সেভ এন্ড কন্টিনিউ এ ক্লিক করবেন।

5. এরপর হচ্ছে parental information অপশন আছে এখানে ক্লিক করবেন। অর্থাৎ আপনার পিতামাতার তথ্য চাইবে সেই তথ্যগুলো এ টু জেড দিয়ে দিবেন। তথ্যগুলো দিয়ে দেওয়ার পর কন্টিনিউ সেভ এ ক্লিক করবেন।

6.এরপর spouse information এ ক্লিক করবেন। তো এইখানে আপনার বৈবাহিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাচ্ছে। আপনি যদি বিবাহিত হন তাহলে আপনার স্ত্রীর ইনফরমেশনও দেওয়া লাগবে। আর আপনি যদি সিঙ্গেল হন তাহলে আপনাকে এই গুলো কিছু দেওয়া লাগবে না। তো আপনার বৈবাহিক অবস্থাটা দেওয়ার পর সেভে এবং কন্টিনিউ এ ক্লিক করে দিবেন।

7.এরপর emergency contact এখানে ক্লিক করবেন। তো এখানে আপনি যদি বিবাহিত হন তাহলে আপনার স্ত্রীর কন্টাক নাম্বার দিতে পারেন। যদি আপনি বিবাহিত না হন তাহলে আপনার পিতা-মাতার দিতে পারেন। তো এই তথ্যগুলো দেওয়ার পর সেভ এবং কন্টিনিউ এ ক্লিক করবেন । এই তথ্যগুলো দেওয়ার পর আর দুইটা স্টেপ বাকি থাকবে।
passport page এখানে পেজ সংখ্যা 48 টি এবং ৬৪ টি থাকবে । আপনার যদি কম ভ্রমণ করেন সে ক্ষেত্রে ৪৮ টি দিতে পারেন। আর

যদি বেশি ভ্রমণ করেন তাহলে ৬৪ টি দিবেন। এরপর আপনার পাসপোর্টের মেয়াদ কত বছরের জন্য নিতে চাচ্ছেন পাঁচ বছর নাকি দশ বছর। যদি পাঁচ বছরের জন্য নেন তাহলে টাকা কম লাগবে আর যদি ১০ বছরের জন্য নেন তাহলে টাকা বেশি লাগবে। তো আপনার যেটা ইচ্ছা সেটাতে সিলেক্ট করে দিবেন। এই তথ্য দুইটা দেওয়ার পর save continue অপশনে ক্লিক করবেন।

এরপর লাস্ট যে অপশনটি আছে সেটা হচ্ছে delivery option and appointment এই অপশনে কিছু তথ্য চাইবে। আপনি যদি খুব তাড়াতাড়ি পাসপোর্ট নিতে চান তাহলে আপনার টাকা বেশি লাগবে আর যদি আপনার খুব তাড়াতাড়ি দরকার না হয় তাহলে রেগুলার এ ক্লিক করবেন। আর যদি খুব জরুরী দরকার হয় তাহলে emergency delivery তে ক্লিক করবেন।

তার নিচে দেখবেন ক্যালেন্ডার আছে। অর্থাৎ আপনি যে তারিখে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে আপনার কাগজপত্র জমা দিবেন সেই তারিখটা সিলেক্ট করার পরকরবেন এবং টাইমটা সিলেট করবেন। সিলেক্ট করার পর save and continue এ ক্লিক করবেন। তো আপনাদের কাজ শেষ।

উপরের যেই তথ্যগুলো সব কিছু দিয়েছেন । সেই তথ্যগুলো সঠিক আছে কিনা সেগুলো আরেকবার যাচাই করে নিবেন। খুব ভালো করে দেখবেন দেখে যাচাই বাছাই করে নিবেন।

এরপর একদম নিচে গিয়ে confirm and proceed to payment এই অপশনে ক্লিক করে দিবেন। এরপর দেখবেন যে অনলাইনে কোন টাকা পেমেন্টের অপশন নেই। সে ক্ষেত্রে ওইখানে অনেকগুলো ব্যাংকের নাম দিয়ে দিয়েছে। তো আপনারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই ব্যাংকে গিয়ে টাকাটা জমা দিয়ে চলে আসবে।

এরপর আপনাদের কাজ হচ্ছে নিচে কন্টিনিউ বাটনে ক্লিক করে দিবেন। এরপর দেখবেন লেখা আসছে application submitted অর্থাৎ আপনাদের অ্যাপ্লিকেশনটি সাবমিট হয়ে গেছে।

তো এরপর আপনাদের এই অ্যাপ্লিকেশন ফর্মটি প্রিন্ট করতে হবে অর্থাৎ এটি ফোনে ডাউনলোড করে নিবেন তারপরে কম্পিউটারে গিয়ে প্রিন্ট করে নিবেন। তাহলে হয়ে যাব। এরপর দেখবেন যে নিচে যে যে কাগজপত্র নিয়ে আপনাকে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে জমা দিয়ে আসতে হবে, সব কিছু লেখা আছে তো সেইগুলো পড়ে ঠিকঠাক মতো কাগজপত্র নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে জমা দিয়ে আসবেন।

আপনি যে তারিখটা সিলেক্ট করেছেন জমা দেওয়ার জন্য সেই তারিখে যেতে হবে এবং সেই সময়ের মধ্যে যেতে হবে। আমি আপনাদের নিচে বলে দিচ্ছি যে কি কি কাগজপত্র নিয়ে আপনারা পাসপোর্ট অফিসে যাবেন।

৫ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট করতে কত টাকা খরচ হয়?

পাঁচ বছর মেয়াদে ৪৮,৬৪ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট আপনি তিনটি ক্যাটাগরিতে বানাতে পারবেন। সাধারণ পাসপোর্ট, অতি সাধারণ পাসপোর্ট, অতি জরুরী পাসপোর্ট। তবে আপনি যদি অতি জরুরী পাসপোর্ট বানান সে ক্ষেত্রে আলাদা টাকা দেওয়া লাগবে।

১০ বছর মেয়াদে ৪৮,৬৪ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট আপনি তিনটি ক্যাটাগরিতে বানাতে পারবেন। যেমনঃ

১।সাধারণ পাসপোর্ট

২।অতি সাধারণ পাসপোর্ট

৩।অতি জরুরী পাসপোর্ট

তবে আপনি যদি অতি জরুরী পাসপোর্ট বানান সে ক্ষেত্রে আলাদা টাকা দেওয়া লাগবে।

১।সাধারণ পাসপোর্ট

দশ বছর মেয়াদি ৪৮ পৃষ্টার  সাধারণ পাসপোর্ট বানাতে খরচ হয়   ৪০২৫ টাকা। আর ১০ বছর  মেয়াদি ৬৪ পৃষ্টার  সাধারণ পাসপোর্ট বানাতে খরচ হয়  ৬৩২৫ টাকা টাকা।

২।অতি সাধারণ পাসপোর্ট

দশ বছর মেয়াদি ৪৮ পৃষ্টার অতি সাধারণ পাসপোর্ট বানাতে খরচ হয়  ৬৩২৫ টাকা। আর ১০ বছর  মেয়াদি ৬৪ পৃষ্টার অতি সাধারণ পাসপোর্ট বানাতে খরচ হয় ৮৬২৫ টাকা টাকা।

৩।অতি জরুরী পাসপোর্ট

দশ বছর মেয়াদি ৪৮ পৃষ্টার অতি জরুরী পাসপোর্ট বানাতে খরচ হয় ৮৬২৫ টাকা। আর ১০ বছর  মেয়াদি ৬৪ পৃষ্টার অতি জরুরী পাসপোর্ট বানাতে খরচ হয় ১২০৭৫ টাকা।

১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট ফি বাংলাদেশ?

১০ বছর মেয়াদে ৪৮,৬৪ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট আপনি তিনটি ক্যাটাগরিতে বানাতে পারবেন। যেমনঃ

১।সাধারণ পাসপোর্ট

২।অতি সাধারণ পাসপোর্ট

৩।অতি জরুরী পাসপোর্ট

তবে আপনি যদি অতি জরুরী পাসপোর্ট বানান সে ক্ষেত্রে আলাদা টাকা দেওয়া লাগবে।

১।সাধারণ পাসপোর্ট

দশ বছর মেয়াদি ৪৮ পৃষ্টার  সাধারণ পাসপোর্ট বানাতে খরচ হয়  ৫৭৫০ টাকা। আর ১০ বছর  মেয়াদি ৬৪ পৃষ্টার  সাধারণ পাসপোর্ট বানাতে খরচ হয়  ৮০৫০ টাকা টাকা।

২।অতি সাধারণ পাসপোর্ট

দশ বছর মেয়াদি ৪৮ পৃষ্টার অতি সাধারণ পাসপোর্ট বানাতে খরচ হয়  ৮০৫০  টাকা। আর ১০ বছর  মেয়াদি ৬৪ পৃষ্টার অতি সাধারণ পাসপোর্ট বানাতে খরচ হয় ১০৩৫০ টাকা টাকা।

৩।অতি জরুরী পাসপোর্ট

দশ বছর মেয়াদি ৪৮ পৃষ্টার অতি জরুরী পাসপোর্ট বানাতে খরচ হয়   ১০৩৫০ টাকা। আর ১০ বছর  মেয়াদি ৬৪ পৃষ্টার অতি জরুরী পাসপোর্ট বানাতে খরচ হয় ১৩৮০০ টাকা টাকা।

পাসপোর্ট করতে হলে কি কি লাগে?

আপনারা যেই অনলাইনে অ্যাপ্লিকেশন করেছিলেন সেই অনলাইনে অ্যাপ্লিকেশনের সময় সেই ফর্মটি প্রিন্ট করা হয়েছিল। সেই ফরমটি লাগবে। এরপর লাগবে একটি অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম। এরপর আপনি যদি প্রাপ্তবয়স্ক হন তাহলে আপনার এনআইডি কার্ডের ফটোকপি।

আর যদি অপ্রাপ্তবয়স্ক হন তাহলে আপনার জন্ম নিবন্ধন এবং আপনার পিতামাতার এন আইডি কার্ডের ফটোকপি লাগবে। এরপর লাগবে পেমেন্ট রিসিভ। অর্থাৎ আপনি যেই ব্যাংকের মাধ্যমে টাকাটি পেমেন্ট করেছেন সেই ব্যাংকের রিসিভটি লাগবে।

পাসপোর্ট হয়েছে কিনা চেক করব কিভাবে?

তো এই কাগজপত্রগুলো নিয়ে আপনারা যেই তারিখ দিয়েছিলেন। সেই তারিখে এই কাগজগুলো জমা দিবেন। তাহলে আপনাদের কাজ শেষ। পাসপোর্ট তৈরি হয়ে গেলে আপনাকে তারা ফোন দিয়ে ডেকে নিবে এবং পাসপোর্ট দিয়ে দিবে। তো মূলত এই ভাবে আপনারা পাসপোর্ট পেয়ে যাবেন।

তো বন্ধুরা আজকের আলোচনার বিষয় এই পর্যন্তই আশা করি এই আলোচনার মাধ্যমে আপনারা উপকৃত হবেন এবং পাসপোর্ট পেয়ে যাবেন। এবং অসংখ্য ধন্যবাদ ধৈর্য ধরে সম্পূর্ণ লেখাটি পড়ার জন্য। সকলে সুস্থ থাকবেন এবং আমার সাইটের পাশে থাকবেন । এরকম সকল নতুন নতুন কার্য করি আলোচনা নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হব। আল্লাহ হাফেজ।

আসসালামু আলাইকুম।আমি মোঃ জাহিদুল ইসলাম শাওন।

Leave a Comment